বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে পাঠদান ব্যাহত

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে পাঠদান ব্যাহত

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি, কালের খবর :

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ১০ নম্বর হরিরামপুর ইউনিয়নের মৌলভীরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। কমপক্ষে চারজন শিক্ষকের প্রয়োজন থাকলেও সেখানে আছে মাত্র দুইজন শিক্ষক।

এতে প্রতিদিন প্রতিটি শ্রেণিতে অন্তঃ দুটি করে বিষয়ে পাঠদান হচ্ছে না।
পার্বতীপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে মৌলভীরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নব্য জাতীয়করণ হয়েছে বিদ্যালয়টি। চলতি শিক্ষা বছরে এখানে প্রাক প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছেন ২৮ শিক্ষার্থী। ১ম শ্রেণিতে ৪৮, ২য় শ্রেণিতে ৪২ ও ৩য় শ্রেণিতে ৬৭ জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়ন করছে। এছাড়াও ৪র্থ শ্রেণিতে ৪৪ ও ৫ম শ্রেণিতে রয়েছে ৩৬ জন শিক্ষার্থী।

বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী মোছাঃ আছিয়া নিশাদ। মেধাবী এই ছাত্রী বলে, স্কুলে মাত্র দুজন শিক্ষক আছেন। এ কারণে কোনো দিন তাদের সবগুলো ক্লাস হয় না। ৫ম শ্রেণির ছাত্রী রুমী আক্তার জানায়, আমরা লেখাপড়ায় অনেক পিছিয়ে গেছি।

প্রধান শিক্ষকসহ মাত্র দু’জন শিক্ষক আছেন আমাদের। এ কারণে দুই থেকে তিনটির বেশি ক্লাস হয় না কোনো দিনই।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার হাবিবুর রহমান বলেন, মাত্র একজন সহকারি শিক্ষিকা আছেন। তার পক্ষে সব ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয় না। তাছাড়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হওয়ায় বিভিন্ন কাজে আমাকে উপজেলায় যেতে হয় অনেকদিন। আর সেদিন বড় ধরনের ক্ষতি হয় শিক্ষার্থীদের।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও ১০ নম্বর হরিরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান শাহ বলেন, শিক্ষক সংকটের কথা সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হয়েছে। তাছাড়া সমন্বয় কমিটির সভায় উথাপন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আশেপাশের কোনো বিদ্যালয় থেকে সমন্বয় করার মতো শিক্ষক এ মুহুতে নেই। তাছাড়া উপজেলায় বিপুল সংখ্যক সহকারি শিক্ষকের পদ খালি থাকায় এ সমস্যার প্রকট আকার ধারণ করেছে।

সহকারি শিক্ষকের পদে নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এ সমস্যা থেকে বের হওয়া সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

কালের খবর  /২৭/২/১৮

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com